About

Sandhani National Eye Donation Society

মারা যাবার ৬ ঘন্টার ভেতর চোখ/কর্ণিয়া সংগ্রহ করতে হয়, তাই চক্ষুদাতা মারা যাবার কিছুক্ষনের মধ্যে অভিভাবকরা সন্ধানীর সাথে যোগাযোগ করুনঃ 01511555567 অথবা 01785777744

সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতি

সন্ধানী, ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৭ সাল থেকে মেডিকেল ও ডেন্টাল ছাত্রছাত্রীদের দ্বারা পরিচালিত একটি সেচ্চাসেবী প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বর্তমান পর্যন্ত সুদীর্ঘ সময় আদর্শগত কোনরকম বিচ্যুতি ছাড়াই সততা, নিরবিচ্ছিন্নতা ও মূল লক্ষ্যের প্রতি একাগ্রতা বজায় রেখেছে সংগঠনটি। তৎকালীন সময়ে রক্তের অপ্রতুলতা, রক্ত সংগ্রহে অব্যবস্থাপনা ও অমানবিক রক্ত কেনাবেচা এবং সুস্থ মানুষকে স্বেচ্ছায় রক্তদানের ব্যাপারে উৎসাহিত করার জন্য সরকারি বেসরকারি কোন কর্মসূচি ছিল না। এই উপলব্ধি থেকেই সন্ধানী বাংলাদেশের দুটি প্রধান স্বাস্থ্য সমস্যা যথাক্রমে স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদানের কর্মসূচি গ্রহণ করে। এই দুটি আন্দোলনকে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেয়ার রূপকার, সূচনাকারী এবং এখন পর্যন্ত প্রদান কর্ণধার সন্ধানীই। রক্ত সংগ্রহ করে মৃত্যু পথযাত্রীকে মৃত্যুর হাত থেকে ফিরিয়ে আনার অভিলাষে আজ অসংখ্য সন্ধানী কর্মী কাজ করে যাচ্ছে নিরলস ভাবে। ১৯৭৮ সালের ২ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে সন্ধানী স্বেচ্ছায় রক্তদানের সূচনা করে দেশব্যাপী স্বেচ্ছায় রক্তদান কে জনগণের মাঝে পরিচিত করে তুলেছে। তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৯৫ সালে সন্ধানীর আয়োজিত প্রথম স্বেচ্ছায় রক্তদান অনুষ্ঠানটিকে স্মরণীয় করে রাখতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২ নভেম্বরকে “জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস” ঘোষণা এবং জাতীয় দিবস হিসেবে পালনের জন্য সদয় নির্দেশ দান করেন।

রক্তদানের ক্ষেত্রে আমাদের এই সাফল্যের গ্রাফ যেখানে উর্ধ্বমুখী তখনই কর্নিয়াজনিত অন্ধত্ব আমাদের জন্য একটি বড় হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। দেশে অন্ধ জনসংখ্যা প্রায় ১৪ লক্ষাধিক। এর মধ্যে ৫ লক্ষের মত কর্নিয়াজনিত অন্ধ। প্রতি বৎসর আরো নতুন করে যোগ হচ্ছে প্রায় ৪০ হাজার। এই অন্ধত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তির একটাই উপায় কর্নিয়া প্রতিস্থাপন যা কৃত্রিম উপায়ে প্রস্তুত করা এখনো সম্ভব পর হয় নাই। কর্নিয়া ব্যতীত এই অন্ধ মানুষ জন অন্ধত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি তো পাবেই না বরং হয়ে উঠবে এক বড় বোঝা, যা আমাদের মত দেশের পক্ষে বহন করা কষ্টসাধ্য ব্যাপার। এসব ভাবনা থেকেই ১৯৮৪ সালের ২৫ নভেম্বর আত্মপ্রকাশ করে “সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতি ও সন্ধানী আন্তর্জাতিক চক্ষু ব্যাংক”। সমাজের বিভিন্ন পেশার সচেতন পেশাজীবী সহ সন্ধানীর সাবেক কর্মীদের নিয়ে এই সমিতির যাত্রা শুরু হয়।

সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতি দেশে কর্নিয়া সংগ্রহ, সংরক্ষণ, মূল্যায়ন ও সরবরাহকারী একমাত্র প্রতিষ্ঠান। ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ৪২০০ টি কর্নিয়া সংগ্রহের মাধ্যমে ৩৫২৭ জন অন্ধ মানুষের চোখের দৃষ্টি ফিরিয়ে দিতে পেরেছে।
প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত অনেকগুলো জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছে। ২০০৪ সালে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে এই প্রতিষ্ঠানটি।

বর্তমানে সারা বাংলাদেশে ৩৫টি ইউনিট এবং ১১ টি জুন নিয়ে ঢাকায় সন্ধানীর নিজস্ব ভবন থেকে থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালিত হচ্ছে সন্ধানী এবং সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতি।

ABOUT US

The Sandhani National Eye Donation Society (SNEDS) is a charity-based eye donation center which was established in 1977 by students at the Dhaka Medical College Hospital (DMCH).
Read More...

CALL SANDHANI

অভিভাবকরা মৃত ব্যাক্তির চক্ষুদানের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। মারা যাবার ৬ ঘন্টার ভেতর চোখ/কর্ণিয়া সংগ্রহ করতে হয়, তাই চক্ষুদাতা মারা যাবার কিছুক্ষনের মধ্যে অভিভাবকরা সন্ধানীর সাথে যোগাযোগ করুনঃ +8801552347840, 015115555567 অথবা 01785777744

Contact Us

Office:
Sandhani Bhaban, 33/2, Babupura Road, Nilkhet, New Market, Dhaka-1205

Call Us:
+8801711287108, +880711488614